নারায়ণগঞ্জ  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জে দাবিকৃত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে মারধর, প্রাণনাশের হুমকি

পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশ: ২২:০৪, ১০ মার্চ ২০২৬

সিদ্ধিরগঞ্জে দাবিকৃত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে মারধর, প্রাণনাশের হুমকি

সিদ্ধিরগঞ্জে মো. রহমত উল্লাহ (৪২) নামে এক হোসিয়ারী ব্যবসায়ীর কাছে দাবিকৃত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ওই ব্যবসাীর কারখানায় হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় সন্ত্রাসীরা ওই ব্যবসায়ীকে মারধর করতে গেলে তার ছোট ভাই মো. লিটন মিয়া (৩৬) বাধা দিলে তাকে মারধর করে আহত করে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. রহমত উল্লাহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৮/১০ জনকে অভিয্ক্তু করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মঙ্গলবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এরআগে সোমাবার রাতে নাসিক ৩নং ওয়ার্ড নিমাইকাশারী এলাকায় ভুক্তভোগীর নিটিং কারাখানায় এ ঘটনাটি ঘটে। 

অভিযোগে উল্লেখিক অভিযুক্তরা হলো- মো. জামান (৩২), নুরুদ্দিন (৩৫), শাহিন (ঘ) বুইট্টা শাহিন (৪০), পাখির আলী (৪৫), বারেক (৩৬), রিপন (৩৭), সিয়াম (২৩), মিজান (৪৫)। এরা সকলেই নিমাইকাশারী এলকারা বাসিন্দা। 
অভিযোগে ভুক্তভোগী মো. রহমত উল্লাহ উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন যাবৎ সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন নিমাইকাশারী এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও দোকানদের নিকট হইতে জোর পূর্বক চাঁদা উত্তোলন করে আসছে।

এমতাবস্থায় অভিযুক্তরা আমার হোসিয়ারীতে আসিয়া আমার নিকট দশ লাখ টাকা চাঁদা দাব্ িকরে। আমি দাবিকৃত চাঁদার টাকা প্রদান করিতে অস্বীকার করলে তারা আমাকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। 

এরই জের ধরে সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপরোক্ত সকল অভিযুক্তরাসহ অজ্ঞাত নামা আরও ৮/১০জন দেশীয় অস্ত্র ধারালো ছোড়া, চাপাতী, রামদা, এসএস পাইপ ও লাঠি সোঠা নিয়ে নিটিং হোসিয়ারী এর ভিতর প্রবেশ করে আমার কাছে ফের ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। 

আমি ওই চাঁদার টাকা প্রদান করিতে অস্বীকার করিলে তারা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে আমি গালিগালাজ করতে নিষেধ করিলে বিবাদীরা আমাকে মারধর করার জন্য উদ্যত হয়। তখন আমার ছোট ভাই মো. লিটন মিয়া এগিয়ে এসে তাদেরকে বাধা প্রদান করে। 

এ সময় তারা আমার ভাইকে এলোপাথারীভাবে মারধর করতে থাকে। আমাদের ডাক চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে তারা দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দিলে অত্র এলাকায় ব্যবসা বাণিজ্য করতে দিবে না বলে জানায়। এছাড়াও তারা আরও বলে যদি বিষয়টি নিয়া বেশি বাড়াবাড়ী করি, কিংবা আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করি, তাহলে আমাকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলবে।  

ভুক্তভোগী মো. রহমত উল্লাহ বলেন, এঘটনার পর থেকে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যে কোনো সময় চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরাতার বড় রকমের ক্ষতি করতে পারে। 

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার (ওসি) মো. আব্দুল বারিক জানান, এ বিষয় আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন রয়েছে।   

 

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন