শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২০:১০, ৩০ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২০:১১, ৩০ মার্চ ২০২৬
সিদ্ধিরগঞ্জে জুলাই আন্দেলনের একাধিক হত্যা মামলার আসামি ফ্যাসিস্ট নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ক্যাডার অয়ন ওসমানের সহযোগী নাসিক ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ও মহানগরের যুগ্ন আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এখন প্রকাশ্যে ঘুরলেও প্রশাসন কোন ব্যাবস্থা নিচ্ছেনা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার এভাবে প্রকাশ্যে অবাধ বিচরনের কারনে আতংকে রয়েছে সাধারন মানুষ।
জানাগেছে, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ছাত্রলীগের রাজনৈতিক পরিচয়ে সায়হান সিদ্ধিরগঞ্জের ৩ নং ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রভার বিস্তার করে চাদাঁবাজি, ঝুট সন্ত্রাস ,মাদক ব্যাবসা, ইন্টরনেট ও ডিস ব্যবসা পরিচালনা করতো। এই ব্যবসা বহাল রাখতে গিয়ে সন্ত্রাসী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এমন কেনো অপরাধ কর্মকান্ড নেই যা হাবিব ও তার লোকজন না করতো।
নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের তৎকালীন সাংসদ শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমানের সাথেও ছিলো তার গভীর সখ্যতা । য়ার কারনে নাসিক ৩নং ওয়ার্ড তথা সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় এক সময় আতংকের নাম ছিলো হাবিব। এরই মধ্যেই সে বনে যায় টাকার কুমির।
জুলাই আন্দেলনের অংশগ্রহনকারী ছাত্র-জনতাকে প্রতিহত করতে অগ্রনী ভুমিকা ছিলো ছাত্রলীগ ক্যাডার হাবিবের। গত ২০ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাংরোড এলাকায় বিদ্যুৎ অফিস, ভূমী পল্লীর সামনের সড়কে ছাত্র-জনতার উপর অতর্কিত হামলা করে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে এলোপাথারিভাবে গুলি করে একাধিক ছাত্র হত্যা মামলার আসামী এই ছাত্রলীগ ক্যাডার হাবিব।
৫ আগষ্টের পর সে গা ঢাকা দিলেও সম্প্রতি বিভিন্নভাবে অপকৌশলে টাকার জোরে বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে গত ১২ ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের পরে সিদ্ধিরগঞ্জের ৩ নং ওয়ার্ড এলাকায় প্রকাশ্যে অবাধ বিচরন করছে। এরফলে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের একজন অভিযুক্ত ক্যাডারের এমন প্রকাশ্যে বিচরন নিয়ে তৃণমূল নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিতর্কিত নেতাদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক সচেতন মহল।
বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, আন্দোলনের সময় যারা আক্রমণকারী হিসেবে চিহ্নিত ছিলেন, তাদের পুনর্বাসন জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। তাই জুলাই হত্যা মামলার আসামি ছাত্রলীগ ক্যাডার হাবিবকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হউক। সেই সাথে দলের ভিতরে ডুব দিয়ে থাকা দল বিনষ্টকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যাতে আর কেউ এরকমভাবে ফ্যাসিস্ট দোসরদের আশ্রয় পশ্রয় দিতে সাহস না পায়।