শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২১:০৩, ৩ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ২১:৩৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬
পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স জারি করলেও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব লামাপাড়া ও পশ্চিম লামাপাড়া এলাকায় থেমে নেই যুবলীগ নেতা মামুন ও মিঠুর মাদক ব্যবসা। সম্প্রতি যুবলীগ নেতা মামুন অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে বের এসে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে।
মাদক বিরোধী ব্যাপক তৎপরতার কথা শোনা গেলেও মামুন ও মিঠুর দৌরাত্ম কেনোভাবেই কমছে না অভিযোগ এলাকাবাসীর। পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যুবলীগ নেতা মিঠু ও মামুনের নেতৃত্বে চলছে রমরমা মাদক ব্যবসা। যার ফলে সহজে হাতের কাছে মাদক পাওয়ায় লামাপাড়া এলাকা যুবসমাজ ঝুঁকছে মাদকের দিকে। এলাকাবাসী ভয়ে এদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।
এলাকাবাসীর সূত্রে জানাগেছে, দীর্ঘদিন ধরে লামাপাড়া এলাকায় যুবলীগ নেতা মিঠু ও মামুন নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে মাদকের সিন্ডিকেট। আর এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে তারা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এই সিন্ডিকেটের সদস্যদের মধ্যে অন্যতম হলো- আব্দুস সামাদের ছেলে সবুজ, সেরাজ উদ্দিনের ছেলে মামুন, মোহাম্মদ এর ছেলে রবিন। এরাই মিঠু ও মামুনের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে তাদের নিয়ন্ত্রণে এই রমরমা মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছে।
এরফলে ফতুল্লার লামাপাড়া ও পূর্ব লামাপাড়া ও পশ্চিম রামাপাড়া এলাকার অলিগলিতে রয়েছে মাদক বিক্রেতাদের অবাধ বিচরণ। হাতের নাগালে মাদক সহজলভ্য হওয়ায় স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে খেটে খাওয়া মানুষ এই মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছে।
নাম না প্রকাশের শর্তে পূর্বলামাপাড়া এলাকার স্থায়ী এক বাসিন্দা জানান, এখানে দিনরাত চলে মাদকের রমরমা ব্যবসা। আর এই মাদক ব্যবসা যুবলীগ নেতা মিঠু ও সাগরের নিয়ন্ত্রণ করে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পায় না। এর আগে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এই লামাপাড়ায় সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। তারপরও মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। পুলিশকে বৃদ্ধা আঙ্গুলি দেখিয়ে এই এলাকায় মিঠু ও মামুনের নেতৃত্বে চলছে মাদকের ব্যবসা।
এ বিষয়ে ফতুল্লা থানার (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স জারি করা হয়েছে। মাদকের সঙ্গে জড়িতে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তারের পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।