শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২২:৫২, ১৭ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২৩:১৩, ১৭ জুলাই ২০২৬
সিদ্ধিরগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হত্যা মামলার আসামি থানা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি এবং তার একাধিক ক্যাডার বর্তমানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে গ্রেপ্তার হলেও তার অন্যতম সহযোগী একাধিক হত্যামামলার আসামি রাশেদ প্রকাশ্যে থেকেও রয়েছে অধরা।
দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর রাশেদ প্রকাশ্যে এলাকায় বিচরণ করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরাজ করছে আতঙ্ক।
স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, রাশেদ বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পর বাংলাদেশ ত্যাগ করে দীর্ঘদিন দুবাই প্রবাসী থেকে এখন আবার ফিরে এসেছেন বাংলাদেশে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সাবেক ওসির বডিগার্ড কনস্টেবল মফিজ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন এই রাশেদ।
এই কনস্টেবল পুলিশকে লাঙ্গলবন আবাদী ফিল্মং স্টেশন তেলের পাম্পে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই চাঞ্চলকর হত্যা মামলার আসামি রাশেদ। তিনি ৬ নং ওয়ার্ড এসো মন্ডল পাড়ার আবুল হোসেনের ছেলে এই রাশেদ।
মতির অন্যতম সহযোগী রাশেদের উখান যেভাবে :
মেঘনা ডিপুতে চা টানা কর্মচারী হিসেবে তার জীবন যাত্রা শুরু। অল্প কিছুদিন পর সন্ত্রাসী মতির সহযোগিতায় মেঘনা ডিপুতে চাঁদাবাজি করে শত কোটি টাকার মালিক বনে যান। আওয়ামী লীগের এই ১৭ বছরের সে এত টাকার মালিক কিভাবে হল স্থানীয়দের মুখেই প্রশ্ন এত টাকার উৎস কোথায় ।
শুধু তাই নয় প্রবাসী দুবাইয়ে রয়েছে তার বিশাল রেস্টুরেন্টের ব্যবসা। এছাড়াও বর্তমানে ছয়টি বাড়ির মালিক ও ৪ থেকে ৫টি পেট্রোল পাম্পের মালিক। ২০ থেকে ২২টা তেলের লড়ি গাড়ি রয়েছে তার । রয়েছে জানা-অজানা অনেক সম্পদ এত সম্পদ এই ১৭ বছরে কোথায় থেকে এলো সকলের প্রশ্ন ।
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন যুব লীগ ক্যাডার মতির ছত্রছায়া থেকে তেলের ডিপুতে চাঁদাবাজি করে পাহাড় পরিমাণ সম্পদ করে এই রাশেদ। তাদের প্রশ্ন শীর্ষ সন্ত্রাসী মতি গ্রেপ্তার হলেও তার অন্যতম সহযোগী পুলিশ হত্যা মামলা এক নম্বর আসামি ও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র হত্যা মামলার আসামি কিভাবে প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে এলাকায় অবস্থান করছে।
তার সার্বিক সহায়তায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগ প্রকাশ্যে মিছিল বিক্ষোভ করে বিভিন্ন প্রভাকান্ড সৃষ্টি করছে।
তারা আরও বলছেন, অর্থ বিত্তের প্রভাবে অদৃশ্যভাবে বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোতে তাকে বাদ দিয়ে চার্জশিট দেয়ার মিশনে নেমেছেন রাশেদ। ইতিমধ্যে সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা একটি বৈষম্য বিরোধী হত্যা মামলার আসামি থাকা চার্জশিট থেকে তার নাম কাটিয়েছেন এই সন্ত্রাসী । পরে বাদী জানতে পেরে এই তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজী দেয় ।
তাদের দাবি, এলাকায় শান্তিশৃংখলা রক্ষা ও বড় ধরনের নাশকতা ঘটনার আগেই আইনশৃংখলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ একান্ত জরুরি। রাশেদকে আইনের আওতায় এনে দুদুকের মাধ্যমে তদন্ত করলেই তার অঢেল ধন সম্পদ অর্জনের তথ্য বেরিয়ে আসবে।