শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ০১:১১, ২৪ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ০২:৪৭, ২৪ মার্চ ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, যারা অপরাধ করেছে তাদের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। একটি পক্ষ ৫ আগষ্টের পর থেকেই এখানে সুবিধা নেয়ার জন্য আরেকটা পক্ষের উপর জোর পূর্বক হামলা করেছে। এই ঘর ভাংচুর করেছে। এটার মধ্যে কোনো রাজনীতি জড়িত নয়।
এটা যারা করেছে বাড়ি ভাঙচুর করেছে এটা ফৌজদারি অপরাধ। ফৌজদারি অপরাধের বিষয়ে যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি, সরকার সতর্ক রয়েছে। আমরা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য।
(ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন)
ফতুল্লায় ঈদের আগের দিন সন্ত্রাসীরা দখলের চেষ্টায় একটি বসত বাড়ির রুমের দেয়াল ও জানালা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সোমবার (২৩ মার্চ) ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এ সময় মামুন মাহমুদ যে কোনো নিউজ করার আগে ভালো করে তদন্ত করে দেখার জন্য মিডিয়ার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, অপরাধীরা আমাদের দলের কেউ হলেও ছাড় পাবেনা। আমাদের দলের না যেহেতু আপনারা বলছেন তাই বলছি দলের কেউ হলেও ছাড় দেয়া হতোনা। এধরনের অপরাধ যেই করুক অপরাধী হিসেবে বিবেচিত হবে। দলের নেতাকর্মী হিসেবে বিবেচিত হবেনা। এটার বিচার হবে, আইনের আওতায় তাদের নিয়ে আসা হবে।
তিনি বলেন, বাড়ি ভাঙচুরের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবগত হয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ককে নির্দেশ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়ানোর জন্য। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে এসেছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার যাতে ভাঙচুর হওয়া ভবনটি দ্রুত মেরামত করে বসবাস করতে পারে সে ব্যাপারে জেলা পরিষদের ফান্ড থেকে একটি অনুদান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকায় প্রায় সাত শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন কাশেম মিয়া কিন্তু ২০১৬ সালে ওই জমিতে ভাগ আছে বলে দাবি করেন তার জেঠাতো ভাই। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। জমির বিরোধ নিয়ে আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে।
এ বিরোধের জের ধরে গত ২০ মার্চ ভোরে ভাতিজা রুবেল, আনিসসহ অর্ধশতাধিক লোকজন দেশীয় অস্ত্র, রামদা, চাপাটি, লাঠিসোটা, রড, হাতুড়ি দিয়ে তাদের থাকার ঘর ভাঙচুর করে। এ সময় পানির মোটর, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়।
এবিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার ৯৯৯ নম্বরে কল করলে পরে ফতুল্লা থানা থেকে পুলিশ পাঠানো হয়। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। এ ঘটনায় ফতুল্লা থানায় মামলা হয়েছে।