শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২২:৫৯, ১২ অক্টোবর ২০২৬
মরণফাঁদ প্রি-পেইড মিটার বাতিল ও নারায়ণগঞ্জ জেলাকে বিশেষ জেলায় উন্নতিকরণ সহ ১১ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালন শেষে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে এক স্মারকলিপি দাখিল করা হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেণ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নুরউদ্দিন আহমেদ ও সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মাকিদ মোস্তাকিম শিপলু।
সভায় নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সমস্যা উল্লেখ করে সভার সভাপতি অবহেলিত নারায়ণগঞ্জের আশু সমস্যাবলী সমাধানকল্পে ১১ দফা দাবী বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, প্রচ্যের ডান্ডি খ্যাত নারায়ণগঞ্জ স্বাধীনতার পর থেকে অবহেলিত হয়ে আসছে। অথচ এই নারায়ণগঞ্জ জাতীয় রাজস্ব আয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছে।
এতদসংক্রান্ত বিষয়ে আরোও তথ্য উপাত্ত উল্লেখ করে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন মন্টু, সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস আজাদ, কুতুব উদ্দিন আহম্মদ, মহিউদ্দিন মাহমুদ, যুগ্ম সম্পাদক- ১ শ্রমিক নেতা মাহমুদ হোসেন, উপদেষ্টা মনিরুল ইসলাম সবুজ, সম্পাদক দৈনিক ইয়াদ প্রত্রিকা, সহ-সম্পাদক এড. জাহাঙ্গীর আলম জাগু, গোলাম রসুর রফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ বদরুল হক, অবসবপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন দেওয়ান, মোঃ সোহারাব হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিন্টু, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ শওকত আলী, এড, মুন্নি সরকার ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধন শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে নিম্ন বর্ণিত ১১ দফা দাবী সম্বলিত স্মারকলিপি দাখিল করা হয়।
১। বাস্তবতার নিরিখে নারায়ণগঞ্জকে বি শ্রেণী থেকে বিশেষ শ্রেণীর জেলায় উন্নীতকরণ করতে হবে।
২। আবাসিক বিদ্যুৎ গ্রাহকদের গলার ফাঁস প্রিপেইড মিটার স্থাপন বন্ধ করতে হবে।
৩। মাদক নির্মূলে মাদকসেবী ও কারবারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন ও তাদের সংশোধনে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে এবং পর্যাপ্ত খেলার মাঠের ব্যবস্থা করতে হবে।
৪। নারায়ণগঞ্জে একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে এবং গোদনাইলে অবস্থিত ভবঘুরে কেন্দ্রটি সচল ও সেবার মান উন্নয়ন করতে হবে।
৫। যানজট নিরসনে ফুটপাত হকারমুক্ত করা সহ বাসষ্টান্ড ও রেল চলাচল চাষাড়ায় স্থানান্তর করতে হবে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ ও জনবল বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি ১নং রেলগেইট থেকে চাষাড়া ষ্টেশন পর্যন্ত রেলপথকে সড়কপথে রূপান্তর করতে হবে।
৬। মেট্রোরেলের সংযোগ নারায়ণগঞ্জ শহর পর্যন্ত সম্প্রসারন করতে হবে।
৭। পানি ও গ্যাস সরবরাহের পুরাতন পাইপ লাইন পরিবর্তন করে সরবরাহ নির্বিঘ্ন ও নিরবিচ্ছিন্ন করতে হবে।
৮। মীরজুমলা রোড ও শায়েস্তা খান সড়ক থেকে অবৈধ ব্যবসায়ী ও হকারদের অপসারন করে যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে হবে।
৯। পুরাতন কোর্ট এলাকায় অব্যবহৃত বহুতল ভবনে বার্ণ ইউনিট, হার্ট সেন্টার, কিডনি ডায়ালোসিস সেন্টার ও আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল স্থাপন করতে হবে।
১০। নারায়ণগঞ্জস্থিত রাজউকের সম্পত্তি নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করতে হবে।
১১। ঐতিহাসিক হাজীগঞ্জ ও সোনাকান্দা দূর্গ দুইটি সংস্কার করতঃ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার ভুট্টু, আব্দুল সরদার, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আনোয়ার হোসেন দেওয়ান, আবুল হোসেন, আব্দুল হালিম বেপারী, ইমামুল হাসান হিমু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হোসেন জুলু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ওহাদুজ্জামান জামান, সমাজ কল্যান সম্পাদক রাজীউদ্দীন আহম্মদ, কোষাধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধ মোঃ সফর আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন মোড়ল, মোঃ আব্দুস সালাম, মোঃ সাইফুল ইসলাম, খ ম সুলতান, মোঃ সিদ্দিুকর রহমান, মোঃ ওহিদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতালেব, মোঃ হানিফ, মোঃ বিল্লাল, মোহাম্মদ আলী, হাজী কাইয়ুম নবাব, কামরুজ্জামান বাবু, মোঃ সুলতান, বাদল রহমান, মোঃ ইয়াকুব আলী, মোস্তাফিজুর রহমান শিপলু, মোঃ রনি, মোঃ জাহের আলী, মোঃ আব্দুল হাকিম, বিপুল হোসেন শুক্কুর প্রমুখ।