শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২২:১৬, ১০ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে নতুন অরাজনৈতিক সনাতনী ধর্মীয় সামাজিক সংগঠন ‘নারায়ণগঞ্জ পূজা উদযাপন কমিটি’র আত্মপ্রকাশ হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজা লক্ষ্মী নারায়ণ আখড়া মন্দিরে এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির আত্মপ্রকাশ করেন নবঘোষিত নারায়ণগঞ্জ পূজা উদযাপন কমিটি কার্য্যকরি পর্ষদের সভাপতি শ্রী প্রদীপ সরকার ও সাধারন সম্পাদক শ্রী বিজয় দাস কাব্য।
কমিটিতে আরো রয়েছেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি শ্রী কার্ত্তিক ঘোষ, সহ-সভাপতি শ্রী সুশীল চন্দ্র দাস, শ্রী নিতাই দত্ত, শ্রী সমীর চন্দ্র দাস, শ্রী সমর সাহা, চন্দনা দাস, সহ-সাধারণ সম্পাদক শ্রী সমর আইচ, কোষাধ্যক্ষ কৃঞ্চা সাহা, সহ-কোষাধ্যক্ষ মদন সাহা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্জয় কুমার সাহা, সহ-নারী ও শিশু সম্পাদক চন্দনা ঘোষ, দপ্তর সম্পাদক শ্রী জগন্নাথ ঘোষ, পূজা ও শাস্ত্র সম্পাদক শ্রী চিন্ময় মহন্ত ব্যনার্জী।
নারায়ণগঞ্জ পূজা উদযাপন কমিটি কার্য্যকরি পর্ষদের সভাপতি শ্রী প্রদীপ কুমার সরকার বলেন, নারায়ণগঞ্জ একটি ঐতিহ্যবাহী এবং অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জেলা। যুগ যুগ ধরে এই মাটিতে সনাতন ধর্মের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাদের ধর্মীয় সামাজিক উৎসব পালন করে আসছে। বিশেষ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব দুর্গাপূজা, রথযাত্রা, পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী সহ অন্যান্য আচার অনুষ্ঠান অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হয়ে আসছে।
তিনি আরও বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে ধর্মীয় সামাজিক কর্মকাণ্ডের পরিধি ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের সর্বস্তরের জনগণের প্রত্যাশা, অধিকার রক্ষা এবং ধর্মীয় উৎসব গুলো তৃণমূল পর্যায়ে আরো সুশৃংখল আনন্দময় ৩ উৎসবকর করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র স্বাধীন ব্যান্ড হিসাবে নারায়ণগঞ্জ পূজা উদযাপন কমিটি নারায়ণগঞ্জ জেলা এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করছি।
কমিটির উদ্দেশ্য ও করণীয় নিয়ে বক্তব্যে রাখেন নারায়ণগঞ্জ পূজা উদযাপন কমিটি কার্য্যকরি পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিজয় দাস কাব্য। তিনি বলেন, ১. সনাতন ধর্মের প্রচার প্রসার ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সমাজে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা। ২. সমাজে অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে থাকা। ৩. সনাতনী সমাজে জাতপাত বৈষম্য দূর করা।
সমঅধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করা। ৪.সমাজে নারী ও শিশুদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা। ৫. সমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে কাজ করা, ৬. সমাজে যুবসমাজ-কে সৎ পথে চলতে উৎসাহিত করা। ৭. সমাজে স্বচ্ছে ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করা। ৮. পূজা মণ্ডপ ও ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তার স্বার্থে পূজার আগে ও চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় সচেতন করা। ৯. শব্দদূষণ, মাদক, অশালীনতা, পরিবেশদূষণ, গুজব, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে সমাজকে সচেতন করা।