শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২১:৪৯, ২২ আগস্ট ২০২৬
অবশেষে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর জন্য সময় বেধে দিয়েছেন ১৫ দিন। গত ১৯ আগস্ট উচ্চ আদালতের বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফ এর সমন্বয়ে ডিভিশন ব্যাঞ্চ ১৫দিনের মধ্যে তৈমূর আলম খন্দকারের পিস্তল ও বন্দুকের লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশ সুপারকে নির্দেশ প্রদান করেছেন।
এক প্রেসবার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করে ‘তৈমূর আলম খন্দকার এসোসিয়েট’ এর আইটি এ্যাসিস্টেন্ট নোমান তালুকদার গণমাধ্যমকে জানান, এর আগে ২০০৭ সালের ১৮ এপ্রিলে তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্ববধায়ক সরকার তৈমূর আলম খন্দকারকে আটক করার পর তিনি ২৬ মাস কারাবাস করেন। এরপর কারাগারে থাকাবস্থায়ই তিনি কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পিস্তল ও বন্দুকের লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী (রাজনৈতিক) মামলা থাকায় জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, নারায়ণগঞ্জ তা নামঞ্জুর করেন।
বার্তায় জানানো হয়, এর পর ১৪ মে ২০০৯-এ কারামুক্ত হওয়ার পর প্রশাসনিকভাবে নবায়নের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তিনি। পরে তিনি রীট পিটিশন দায়ের করলে (পিটিশন নং ১১০২/২০১২) সরকারের প্রতি কারণ দর্শানোর রুল জারী করেন আদালত। এরপর হাইকোর্টের কার্য তালিকায় অনেক রায়ের বিষয় থাকলেও রাষ্ট্র পক্ষের অনীহার কারনে দীর্ঘদিনেও এই রীট পিটিশন এর শুনানী হয়নি। সম্প্রতি পিটিশনটি শুনানীর জন্য আদালতে উঠলে কয়েক দফা শুনানীর পর গত ১৯ আগস্ট হাইকোর্টের ডিভিশন ব্যাঞ্চ এই তৈমূর আলম খন্দকারের পিস্তল ও বন্দুকের লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য এই আদেশ প্রদান করেন।
বার্তায় আরও জানানো হয়, ১/১১’র সরকার তৈমূর আলম খন্দকার সম্পাদিত জাতীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা “গণডাক” এর ডিক্লারেশন এবং তার নামে রাজউক কর্তৃক বরাদ্দ থাকা উত্তরার একটি প্লটও বাতিল করা হয়েছিল। যেগুলো রীট পিটিশনের মাধ্যমে (পিটিশন নং ২০৭৪/২০১১ ও ৮৯৩৭/২০১০) হাইকোর্টের নির্দেশে ফেরৎ পান তিনি।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকার তৈমূর আলম খন্দকারকে দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আর্ন্তজাতিক পাসপোর্ট বাতিল, বাংলাদেশ জাতীয় বধির ফেডারেশনের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করলে হাইকোর্টের নির্দেশে (রীট পিটিশন নং ৮১৩৩/২০১০ ও ৮৯৮৭/২০১২) পাসপোর্ট ও চেয়ারম্যান পদ ফিরে পান। রীট পিটিশনের মাধ্যমে (নং ৮৯৮/২০১৬) ফেডারেশনের বাৎসরিক সাধারণ সভা (্এজিএম) চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ পান।