শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ১৩:২৯, ২৬ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৩:২৯, ২৬ জুন ২০২৬
বিশ্ব আশেকে হযরত ওয়ায়েস করনী রহমতুল্লাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ বলেন, ‘পবিত্র আশুরা ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ একটি দিন। ইতিহাসের এই দিনে কারবালার প্রান্তরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা.-এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন রা. সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবিচল থেকে শাহাদাত বরণ করেন।
আমি হযরত ইমাম হোসাইন রা.-সহ তাঁর পরিবারের সদস্য এবং কারবালা প্রান্তরে শাহাদতবরণকারী সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। তাঁদের আত্মত্যাগ মানবজাতির জন্য সত্য, ন্যায়, ত্যাগ ও আদর্শের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।’
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘কারবালা আমাদের শেখায় ক্ষমতার লোভে সত্যের সঙ্গে আপস করা যাবে না। অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করতে হবে, মজলুমের পাশে দাঁড়াতে হবে। আজকের পৃথিবীতে হিংসা, বিভেদ ও অবিচার যখন মাথাচাড়া দিচ্ছে, তখন ইমাম হোসাইন রা.-এর ত্যাগই আমাদের পথ দেখাবে।’
এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ দেশ ও বিশ্ববাসীর উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন, পবিত্র আশুরার মহান আদর্শ হৃদয়ে ধারণ করে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে আমরা ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গঠনে একযোগে কাজ করি। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র আশুরার অসীম তাৎপর্য উপলব্ধি করে আমাদের সবাইকে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।’
তিনি বলেন, ওয়ায়েস করনী রহমতুল্লাহ ফাউন্ডেশন আশুরার চেতনাকে ধারণ করেই সারা বছর অসহায়-দুস্থ মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। ‘ইমাম হোসাইন রা.-এর আদর্শ হলো ক্ষুধার্তকে খাদ্য দেওয়া, বিপদগ্রস্তকে সাহায্য করা। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আমরা সেই মানবিক শিক্ষাই বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি।’