নারায়ণগঞ্জ  মঙ্গলবার   ১৩ অক্টোবর ২০২৬

গার্মেন্ট কর্মকর্তা শুভ্র হত্যা মামলায় ৭ আসামির যাবজ্জীবন

পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশ: ১৮:১৮, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৮:১৯, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গার্মেন্ট কর্মকর্তা শুভ্র হত্যা মামলায় ৭ আসামির যাবজ্জীবন

নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইরের আলোচিত গার্মেন্ট কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন শুভ্র হত্যা মামলায় সাত আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বাবুল সাহা জীবন (৪২), নাজমুল ইসলাম (৩৭), সঞ্জয় দাস (৩৯), মিলন (৪১), বশির (৪০), সমীর চন্দ্র মন্ডল (৩৯) ও কাউছার (৪৩)।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়র জজ মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত থাকলেও বাকি দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।

আদালত পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ বলেন, নিহত সাখাওয়াত হোসেন শুভ্র উত্তর নরসিংপুর এলাকাতে অবস্থিত রপ্তানিমুখী গার্মেন্ট কারখানা প্লামি ফ্যাশনে চাকরি করতেন।

২০১৭ সালের ১৫ আগস্ট শুভ্রর মোবাইলে কল করে তাকে ফতুল্লার মাসদাইরের আদর্শ স্কুলের উত্তর পার্শ্বের ‘মায়ের আচল’ নামে একটি নির্মাণাধীন ১২ তলা ভবনের ৭ম তলায় ডেকে নিয়ে যায় শহরের দেওভোগ আখড়ার গনেশ সাহার বাড়ির ভাড়াটিয়া দানেশ সাহার ছেলে বাবুল সাহা জীবন।

সেখানে জীবনের সঙ্গে তার বন্ধু নাজমুল ইসলাম, সঞ্জয় দাস, মিলন, বশির, সমীর, কাওছার সহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজন ছিল।

তিনি বলেন, তারা শুভ্রকে মাথার পেছনে ও সামনে আঘাত করে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য শুভ্রর মরদেহ ওই দিন রাত ৯টার দিকে শহরের খানপুরের ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে চলে যায়।

পরে হাসপাতালের ধারণকৃত সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, বশির ও সমীর নিহত শুভ্রের মরদেহ হাসপাতালে রেখে যায়। এই ঘটনায় শুভ্রর বাবা বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় আদালত এই রায় ঘোষণা করেছেন।

রায়ের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নিহত শুভ্র’র পিতা শাহাদাত হোসেন সিকদার বলেন, আমি রাষ্ট্রের কাছে উপযুক্ত বিচার পেয়েছি। এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি।

 

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন