নারায়ণগঞ্জ  মঙ্গলবার   ১৩ অক্টোবর ২০২৬

দেওভোগ পশ্চিম নগরে সজলের বাসা এখন মাদকের স্বর্গরাজ্য!

পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশ: ২২:২২, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

দেওভোগ পশ্চিম নগরে সজলের বাসা এখন মাদকের স্বর্গরাজ্য!

ফতুল্লা থানাধীন কাশিপুর ৯নং ওয়ার্ডস্থ দেওভোগ মাদরাসা পশ্চিম নগর এলাকায় মৃত আলেক চাঁন কন্ট্রাক্টরের বাসা এখন মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মৃত আলেক চাঁন কন্ট্রাক্টরের ছোট ছেলে সজল এ মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তোলেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, আলেক চাঁন কন্ট্রাক্টরের বাসায় অনেকটা ওপেন সিক্রেটভাবেই দিন-রাত ২৪ ঘন্টা মাদক ব্যবসা হয়। এটা সবাই জানে। আলেক চানের বাসার তৃতীয় তলায় বসে এ মাদকের আড্ডা। যেখানে ইয়াবাসহ প্রায় সকল প্রকার মাদকই কেনাবেচা থেকে শুরু করে অনেকটা ভয়হীনভাবেই চলে সেবনও।

ফলে অনেক দূরের এলাকা থেকেও মোটরসাইকেলে করে মাদকসেবীরা এখানে মাদক কিনতে এবং সেবন করতে আসেন। আলেক চাঁন কন্ট্রাক্টরের ছোট ছেলে সজল তার বাসার এ মাদকের আড্ডা বসায়। আর সজলকে মাদকের কেনাবেচা থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজে সহযোগীতা করছে জলিলের ছেলে সয়ন। তারা দুইজনে মিলে পুরো এলাকাকে দোযক বানিয়ে ফেলছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে আরও বলেন, শুনেছি সজলের কোন বোন জামাই নাকি পুলিশে চাকুরী করে। তার প্রভাব দেখিয়ে মূলত তারা এ মাদক ব্যবসা করছে। এদিকে পুলিশের আত্মীয় হওয়ার কারণে এলাকাবাসী তাদেরকে কিছু বলতে তেমন একটা সাহস পায় না। এ সুযোগটাকেই পুরোপরি কাজে লাগিয়ে তারা দিব্বি মাদক ব্যবসা করে চলেছে।

তারা এলাকার কাউকেই ভয় পায় না। সবার সামনে মাদক বিক্রি করে। তাকিয়ে থাকলে ধমক দিয়ে বলে, ‘তাকিয়ে আছেন কেন? কিছু বলবেন? নাকি পুলিশকে নালিশ করবেন? সাহস থাকলে গিয়া করেন? এখন এখান থেকে যান’

স্থানীয়রা বলেন, দিন যতই যাচ্ছে ততই ভয়াবহ হয়ে উঠছে তাদের মাদক ব্যবসা। মাদকের কারণে এলাকার অনেক ভালো ভালো ছেলেরা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় আমরাও আমাদের সন্তানদের নিয়ে অনেকটা টেনশনে আছি।

কারণ, যেভাবে প্রকাশ্যে দিনরাত মাদকের কেনাবেচা এবং সেবন করা হচ্ছে, এতে ওদের জীবনটাও ঝুঁকির মধ্যে আছে। কারণ, মানুষ দেখতে দেখতে শিখে। সুতরাং আমরা মাদকের এ করালগ্রাস থেকে ওদেরকে বাঁচাতে চাই। আমরা চাই না, আর কোন যুব সমাজ মাদকের কারণে ধ্বংস হয়ে যাক। তাই আমরা এ বিষয়ে যৌথবাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস যৌথবাহিনী যদি উদ্যোগে নেয়, তাহলে এখান থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব। অন্যথায় কোনভাবেই এ দোযখ থেকে আমাদের যুব সমাজকে মুক্তি দেয়া সম্ভব না।

 

সম্পর্কিত বিষয়:

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন