শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ০০:৩৪, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া বড় কবরস্থান এলাকায় আলাউদ্দিন এর ছেলে সফিকুল ইসলাম সায়মন (৩৬) এর কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে হবি মৃধা’র ছেলে রাহিত (২২) ও তার সঙ্গীয় সন্ত্রাসীরা। এ সময় সায়মন চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় রাহিত সন্ত্রাসীদের নিয়ে সায়মন এর উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে।
এ সময় সন্ত্রাসীরা দোকান ভাংচুর করে নগদ টাকা পয়সা লুট পাট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার সায়মনের চাচা মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া (৫০) নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায় যে, রাহিত (২২), হাসিব (২১), রাফি (২০), সাইদ (২১) সহ অজ্ঞাত নামা ৩/৪ জন সাবেক রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। তারা ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনে ভোট দানে মহল্লার লোকজনদের বাধা প্রদান করা অবস্থায় সফিকুল ইসলাম সায়মন তাদের এ রুপ কাজে বাধা নিষেধ করে। এতে তাহারা ক্ষিপ্ত হইয়া সামমনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করে।
এ সূত্র ধরে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে তাহারা সংঘবদ্ধ হয়ে সায়মনের দোকানে এসে পূর্বের বিষয়কে কেন্দ্র করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সায়মন এর নিকট এক লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে অন্যথায় বড় ধরনের ক্ষতি করবে বলে হুমকি প্রদান করে।
এ সময় সায়মন তাদের শান্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ করে এবং চাঁদা দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানালে তাহারা সন্ত্রাসী কায়দায় ক্ষিপ্ত হয়ে সায়মনকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সায়মনকে এলোপাথারী আঘাত করতে থাকে।
সাময়ন সন্ত্রাসীদের আঘাতে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তারা চায়ের দোকান ভাংচুর করে দোকানের মালামাল বিনষ্ট করে ফেলে অনুমান ২ থেকে ৩ হাজার টাকার ও ক্যাশে থাকা চা ও মালামাল বিক্রয়ের আনুমানিক দশ হাজার টাকা, স্মার্ট মোবাইল ও গলায় থাকা স্বর্নের অনুমান ৮ (আট) আনা চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
তাদের অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে সায়মনের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তাহারা পালিয়ে যায় এবং সায়মন প্রানে রক্ষা পায়। রক্তাক্ত জখম অবস্থায় সায়মনকে তাদের পরিবারের লোকজন তাতক্ষণিক ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তার চিকিৎসা সেবা দেন।
সায়মনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ২০টির অধিক সেলাই করতে হয় এবং শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানা যায়।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি পুলিশ প্রশাসন যেনো এ সকল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং তাদের গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করে সমাজকে সন্ত্রাস ও অপরাধ মুক্ত রাখেন।