নারায়ণগঞ্জ  মঙ্গলবার   ১৩ অক্টোবর ২০২৬

সৎ মাকে ধর্ষনের অভিযোগে লম্পট গ্রেপ্তার

পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশ: ২২:০৬, ১৩ আগস্ট ২০২৬

সৎ মাকে ধর্ষনের অভিযোগে লম্পট গ্রেপ্তার

বন্দরে সৎ মাকে জোর পূর্বক ধর্ষনের অভিযোগে লম্পট সৎপুত্র ফিরোজ (৫৫) কে গ্রেপ্তার করেছে মদনগঞ্জ ফাঁড়ী পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ধর্ষক ফিরোজ বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ঘারমোড়া এলাকার মৃত আলাউদ্দিন সরদারের ছেলে।

এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী ধর্ষিতা সৎ মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট)  সকালে  ধর্ষক সৎপুত্রসহ ২ জনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যান দমন আইনে মামলা দায়ের করেছে। যার মামলা নং- ২৭(৮)২৬। 

পুলিশ মামলা দায়েরের ওই দিনে ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। পুলিশ ধৃত ধর্ষককে একই দিন দুপুরে উল্লেখিত মামলায় আদালতে প্রেরণ করেছে। গত বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে বন্দর উপজেলার ঘারমোড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই ধর্ষককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষিতা (৫৮) একজন স্বামী পরিত্যক্ত মহিলা। বিবাদী ধর্ষক ফিরোজ মিয়া ভিকটিমের সৎ ছেলে। ভিকটিমের  স্বামী গত ৮ বছর পূর্বে মৃত্যু বরণ করে। বাদিনী স্বামীর মৃত্যু বরণের পর থেকে ভিকটিম তার সন্তানদের  নিয়ে বন্দর উপজেলার ঘাড়মোড়া এলাকায় স্বামীর বসত বাড়ীতে বসবাস করে আসছে। 

ধর্ষকের ছেলে ২নং বিবাদী মুন্নার সাথে ভিকটিমের বড় ছেলে জুম্মানে যৌথ ব্যবসার শেয়ার নিয়ে কিছু দিন ধরে বিরোধ চলছিল।

১নং বিবাদী ধর্ষক  ফিরোজ মিয়া ঘটনার পূর্ব হইতে বিভিন্ন সময় তারেই সৎ মাকে বাজে মন্তব্যসহ কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিবাদী কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিবাদী সৎপুত্র ফিরোজ মিয়া স্বামী পরিত্যক্ত নারীকে  বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে আসছিল। 

এর ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় বাদিনী ও বিবাদী যৌথ  বাড়ীতে বিবাদীর বসত রুমের সামনে দিয়ে আসার সময় বিবাদী লম্পট সৎপুত্র বাদিনীকে টানাহেচড়া করে বিবাদীর বসত রুমে নিয়ে ধাক্কা দিয়ে খাটের উপর ফেলে দেয়।

সে সাথে  বিবাদী অসৎ উদ্দেশ্যে চরিতার্থ করার জন্য জোর পূর্বক বাদিনীর পড়নের কাপড় টানা হেঁচড়া করে বিবস্ত্র করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দামকি প্রর্দশন করে। ভিকটম বিষয়টি তার ছোট ছেলে জানালে খবর পেয়ে ধর্ষনের ঘটনার প্রতিবাদ করলে এ ঘটনায় ধর্ষকের ছেলে মুন্না ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিমের ছোট ছেলে বেদম ভাবে পিটিয়ে নিলাফুলা জখম করে পালিয়ে যায়। 

এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি জামাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, ভিকটিমকে ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। সে সাথে ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। 

 

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন