শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ১৩:৫৭, ২২ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৩:৫৯, ২২ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমীর প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে রাতভর শহরের ৫নং ঘাটে উপস্থিত থেকে সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
কখনো মঞ্চে, কখনো বিসর্জনস্থলে অবস্থান করে তিনি পুলিশ প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় করেন।
তাঁর উপস্থিতিতে সর্বশেষ প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এ বছরের শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় শহরের ৫ নম্বর ঘাটে সর্বশেষ প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিজয়া দশমীর প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাখাওয়াত হোসেন খান।
উৎসবের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দীর্ঘ সময় নিজে উপস্থিত থেকে বিসর্জন কার্যক্রম তদারকি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় করায় তাঁর এ উদ্যোগ নিয়ে নগরবাসীর
মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পুরো আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তাঁর এ ভূমিকা অনেকের কাছে প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সাখাওয়াত হোসেন খান নগরবাসী, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিএনপি, ফায়ার সার্ভিস, পূজা উদযাপন পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, সবার সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শারদীয় দুর্গোৎসব সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েআইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরলস প্রচেষ্টার পাশাপাশি আনসার, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, মেডিকেল টিম, রেড ক্রিসেন্ট ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা উৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করেছেন। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি আরও বলেন, “নারায়ণগঞ্জের মানুষ হিসেবে তখনই আমরা সার্থক হব, যখন এই শহরকে একটি অসাম্প্রদায়িক ও সম্প্রীতির নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।
হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষ যেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”
সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, নারায়ণগঞ্জের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
ভবিষ্যতেও পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে একটি শান্তিপূর্ণ ও অসাম্প্রদায়িক নগরী গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।