শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২১:৫১, ৮ এপ্রিল ২০২৬
সিদ্ধিরগঞ্জে জোর করে একটি গার্মেণ্টস কারখানায় প্রবেশ করে ঝুট ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক বিএনপি নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। এনিয়ে তীব্র সমালোচনা ও চাপেরমুখে ৪ ঘণ্টা পর সব ঝুট ফেরত দিয়েছেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় আবুল কালাম আজাদ রাসেল ও তার সহযোগী রনি, সোহেল একদল সন্ত্রাসী নিয়ে মিজমিজি পাগলাবাড়ি এলাকার ইব্রাহীম নীট গার্মেণ্টস প্রাইভেট লিমিটেড কারখানা থেকে সন্ত্রাসী কায়দায় ঝুট নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ ছেড়ে তরুণ দলের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কমিটির আহবায়ক হন। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে তিনি নিজেকে স্বেচ্ছাসেব লীগ নেতা পরিচয়ন দিতেন। রাসেল মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকার দলপাল্টানো বিএনপি নেতা রওশন আলীর ছেলে।
কারখানার দেখভালের দায়িত্বে থাকা মজিব ফ্যাশনের ম্যানেজার আনিসুর রহমান জানান, কিছুদিন ধরে রওশন আলীর ছেলে আবুল কালাম আজাদ রাসেল ও তার সহযোগী রনি, সোহেল ঝুট নেওয়ার জন্য কারখানায় এসে বিভিন্ন হুমকি ধমকি দিয়ে আসছেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে দলবল নিয়ে কারখানায় এসে তারা সন্ত্রাসী স্টাইলে জোর করে ঝুট নিয়ে যায়। পরে দুপুর ২ টার দিকে ঝুট ফেরত দিয়ে গেছেন। যেহেতু ঝুট ফেরত দিয়ে গেছেন, তাই আর আইনের আশ্রয় নিচ্ছিনা।
জানা গেছে, ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে তোলপার শুরু হয়। খবর পৌঁছে যায় স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতাদের কানে। পরে চাপের মুখে সব ঝুট কারখানায় ফেরত দিয়ে যায় রাসেলের লোকজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বিএনপি নেতারা জানান, একটি কারখানায় প্রবেশ করে জোর করে ঝুট নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটিয়ে বিএনপির ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করেছে রওশন আলীর ছেলে। তার এমন বিতর্কিত কর্মকান্ড দলের জন্য শুভনয়।
তারা জানান মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের একটি দলীয় অনুষ্ঠানে ফুলের তোরা দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছিলেন রওশন আলী। পরে আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে মিলে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেন। গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি আবার বিএনপি নেতা বনে গিয়ে বিতর্কিত কর্মকান্ড করছেন দাপটের সাথে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে রওশন আলী কে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি তার ছেলে আবুল কালাম আজাদ রাসেলের সঙ্গে। তিনিও ফোন রিসিভ করেননি।