শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২২:০১, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
বন্দরে মাদ্রাসা ছাত্র মোহাম্মদ ভূইয়া (৮) অপহরণের ঘটনায় ধৃত অপহরনকারি আলী হোসেনের তথ্যের ভিত্তিতে অপহরনের মূলহোতা এমরান ভূঁইয়া (১৮)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ধৃত এমরান ভূঁইয়া বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর ভূঁইয়াবাড়ী এলাকার হোসেন ভূইয়ার ছেলে। ধৃতকে সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে বন্দর থানার দায়েরকৃত ৪২(৩)২৬ নং মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে গত রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে বন্দর উপজেলার মদনপুর চাঁনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এদিকে ধৃত অপহরণকারীর স্বজনরা মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন এমনকি মামলা প্রত্যাহার না করলে প্রান নাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, গত ১৯ মার্চ বিকেলে মদনপুর চাঁনপুর এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে স্থানীয় মাদ্রাসার ৩য় শ্রেনীর ছাত্র মোহাম্মদ ভূঁইয়াকে জামা কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে এমরান ভূঁইয়াসহ একটি চক্র ।
ঐ দিনই রাতে একটি মোবাইল হতে কল করে অপহৃতর পিতার কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপন চাইলে মোশারফ হোসেন বন্দর থানা পুলিশকে ঘটনাটি অবহিত করে। পরে পুলিশ উল্লেখিত নম্বর ট্রাকিং করে ঈদের দিন পুলিশের বিশেষ টিম পটুয়াখালী জেলার সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলী হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বন্দর থানা পুলিশ ঢাকা শ্যামপুর এলাকা হতে অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রকে উদ্ধার করে। ধৃত আলী হোসেনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অপহরনের ঘটনার মুল পরিকল্পনাকারী এমরানের নাম উঠে আসে । মামলার তদন্তকারী অফিসার তৌহিদ আলম জানান, ধৃত এমরান ভূঁইয়া অপহরন ঘটনার মাস্টারমাইন্ড। ভিকটিমের পরিবারের লোকজনকে হুমকি বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। ধৃত ইমরানক রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী মামলার বাদী মোশারফ হোসেন জানান, ধৃত এমরান খারাপ প্রকৃতির লোক। তার অত্যাচারে আমিসহ আমার পরিবার চরম ভাবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। আমার পরিবারের জান মালের নিরাপত্তা চেয়ে বন্দর থানায় ডায়েরী করেছি। আমি পুলিশ সুপার মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।