শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ১৩:০৯, ১৬ মে ২০২৬ | আপডেট: ২১:২৩, ১৬ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ৬৬ বছর বয়সী আপন শাশুড়িকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে লম্পট জামাতা ফয়েজ হক সাকিল ওরফে সাকিল ফকিরকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী শাশুড়ির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক এর নির্দেশে থানার এসআই মাসুম বিল্লাহ ফোর্সসহ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযুক্ত সাকিল ফকির বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানার বড় বাড়িয়া এলাকার মো. জাহিদুল হক ফকিরের ছেলে। সে সিদ্ধিরগঞ্জের ওমরপুর আইয়ুবনগর এলাকায় একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকত।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে গত ৬ মাস ধরে দুবাই প্রবাসী। ওই বৃদ্ধা তার ৭ বছর বয়সী নাতিকে নিয়ে ওমরপুর আইয়ুবনগর এলাকার তোফাজ্জল সাহেবের ১০ তলা ভবনের ৩য় তলার একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করছিলেন। ওই ফ্ল্যাটের মোট দুটি রুমের একটিতে লম্পট জামাই সাকিল এবং অন্যটিতে শাশুড়ি তার নাতিকে নিয়ে থাকতেন।
গত ১১ মে ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় সাকিল তার শাশুড়িকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে। এরপর জোরপূর্বক তাকে নিজের রুমে নিয়ে গিয়ে ভেতর থেকে দরজা আটকে দেয়। সেখানে খাটের ওপর ফেলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর লোকলজ্জা ও ভয়ে ভুক্তভোগী নারী প্রথমে বিষয়টি লুকিয়ে রাখলেও পরবর্তীতে প্রবাসী মেয়ে ও আত্মীয়দের সাথে আলোচনা করে থানায় এসে লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাসুম বিল্লাহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ৫নং ওয়ার্ডের ওমরপুর আইয়ুবনগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মূল অভিযুক্ত ফয়েজ হক সাকিলকে গ্রেপ্তার করেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, শাশুড়িকে ধর্ষণের মতো একটি জঘন্য ও নীতিভ্রষ্ট অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছি।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।