শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ১০:০৭, ২৪ মে ২০২৬
ফতুল্লায় চাঁদা না পেয়ে এক ব্যক্তির বাড়িঘরে ভাঙচুর ও তিনজনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে মাদক কারবারি সাব্বির ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে তাদের লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।
শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট হাজীর মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই হাজার ইয়াবা ও হেরোইনসহ এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার নারীর নাম অন্তরা খাতুন। তিনি ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারী সাব্বির ওরফে ‘চশমা সাব্বির’এর স্ত্রী। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যদিকে হামলায় আহত ব্যক্তিরা হলেন মিজান, কুদরত ও জনি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে চাঁদা দাবি করেন সাব্বির ও তার বাহিনীর সদস্যরা।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ওই ব্যক্তির বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে মিজান, কুদরত ও জনিকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। খবর পেয়ে ফতুল্লা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং এই সুযোগে সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা পালিয়ে যান।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। রাতেই সাব্বিরের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে প্রায় দুই হাজার ইয়াবা ও হেরোইনসহ সাব্বিরের স্ত্রী অন্তরা খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানতে চাইলে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন ও অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বলেন, খবর পেয়ে ফতুল্লা থানা পুলিশ চিহ্নিত অপরাধী সাব্বির ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, পরে সাব্বিরের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও হেরোইনসহ তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে।