শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২১:২৬, ৯ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২১:২৬, ৯ জুন ২০২৬
রূপগঞ্জে একটি বসত ঘরের পুণঃ সংস্কারের নির্মাণ কাজে বাধা, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে সেলিম মীর ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের সাওঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. সোহেল মীর রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় একাধিক বিভক্তি তৈরী হয়ে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরণের নাশকতার আশংকা করছেন স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী মো. সোহেল মীর করেন, সাওঘাট এলাকার মীর মার্কেট সংলগ্ন তাদের একটি নিজস্ব জমিতে করা পুরোনো বসতঘর পুণঃ সংস্কারের নির্মাণকাজ চলাকালে সেলিম মীরসহ কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে নির্মাণকাজে বাধা দেন।
এ সময় সোহেল মীর জানান, নির্মাণকাজে বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা উত্তেজিত হয়ে তাকে মারধর করে এবং নির্মাণ কাজ বন্ধ না করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
সোহেল মীরের ভাই সাইফুল ইসলাম মীর বলেন, জমিটি আমাদের দাদা জীবদ্দশায় দিয়ে গেছেন। জমির দলিল, খারিজ ও মিউটেশনসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র আমাদের নামে রয়েছে।
আমরা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাস করে আসছি। কিন্তু প্রতিপক্ষ সেলিম মীর আমাদের চাচাতো ভাই বারবার নির্মাণকাজে বাধা দিচ্ছে এবং বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষের লোকজন সংখ্যায় বেশি হওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধরে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছে এবং প্রাণনাশের হুমকিও দিয়ে যাচ্ছে।
তবে এ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সেলিম মীর বলেন, এটি আমাদের পৈতৃক ওয়ারিশি সম্পত্তি। আমাদের বাবা পরিবারের বড় ভাই ছিলেন। জমিটির ওপর আমাদেরও মালিকানা রয়েছে এবং আমরা খারিজের জন্য আবেদন করেছি। দীর্ঘদিন ধরে এ জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি।
তিনি দাবি করেন, তাদের পরিবার প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে জমিটির মালিকানার দাবি করে আসছে এবং এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে।
এ বিষয়ে এস এম সালাউদ্দিন-এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমার তেমন কিছু জানা নেই।
স্থানীয়দের মতে, জমিটির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনাও রয়েছে। বর্তমানে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।