নারায়ণগঞ্জ  মঙ্গলবার   ১৩ অক্টোবর ২০২৬

বন্দরে হোসিয়ারি শ্রমিক হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ২

পজেটিভ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশ: ১৫:০৭, ৪ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৮:০৮, ৪ জুলাই ২০২৬

বন্দরে হোসিয়ারি শ্রমিক হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ২

বন্দরে চাঞ্চল্যকর হোসিয়ারি শ্রমিক আলমগীর হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১১।

গ্রেপ্তাররা হলেন- বন্দর উপজেলার সালেহনগর এলাকার খলিল মিয়ার ছেলে মো. সোহেব (৪২) ও শাহী মসজিদ এলাকার বছিরের ছেলে মো. সুমন (৩৮)। নিহত আলমগীর হোসেন বন্দরের শাহী মসজিদ এলাকার মৃত সোহবান মিয়ার ছেলে। প্রায় নয় মাস ধরে পলাতক থাকার পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে র‌্যাব-১১  সিপিএসসি এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. নাঈম উল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরআগে শুক্রবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে র‌্যাব-১১, সিপিএসসি নারায়ণগঞ্জের একটি আভিযানিক দল জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

র‌্যাব-১১ জানায়, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে প্রধান আসামি সোহেব ও তার সহযোগী সুমনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় বন্দর থানার সালেহনগর এলাকার একটি অটোরিকশা গ্যারেজে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। 

ওই বৈঠকে হোসিয়ারি শ্রমিক আলমগীর হোসেন ও তার ছেলে মুন্না পাওনা টাকা দাবি করলে বিরোধের এক পর্যায়ে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে মারধর শুরু করে। পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, পাইপ ও হাতুড়ি দিয়ে আলমগীর হোসেনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৪ অক্টোবর সকালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার বোন কল্পনা বেগম বাদী হয়ে বন্দর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন