শিরোনাম:
পজেটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ১০:৩৮, ২৪ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৩২, ২৪ জুলাই ২০২৬
ফতুল্লায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পারুল হোসেন পলাশকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ফতুল্লার দক্ষিন সেহাচর লালখা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম এর সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘পারুল হোসেন পলাশ শ্রমিক লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একাধিক হত্যা মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি।
সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনী কার্যক্রম পক্রিয়াধীন।
জানা গেছে, পারুল ফতুল্লার সেহাচর লালখা এলাকার শুক্কুর মুন্সির ছেলে। আওয়ামী লীগের শাসনামলে কখনো শাহ-নিজাম, কখনো আবার শ্রমিক লীগ নেতা কাউসার আহমেদ পলাশের অনুসারী পরিচয়ে ফতুল্লায় দাপিয়ে বেড়াতেন।
তার ছেলে রাকিব আলোচিত সন্ত্রাসী আজমেরী ওসমানের ক্যাডার নাসিরের সহযোগি পরিচয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করতো। মূলত রাজনীতির অন্তরালে কিশোরগ্যাং বাহিনী পরিচালনা, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাই সহ চাঁদাবাজীর অভিযোগ রয়েছে রাকিবের বিরুদ্ধে।
এমনকি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতা হত্যার ঘটনায় রাকিবের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে।
একই সাথে রাকিবের চাচা কালামের বিরুদ্ধেও রয়েছে ছাত্র হত্যা মামলা। এসকল মামলায় কেবল পারুলকে গ্রেপ্তার করা হলেও এখনো তার পুত্র রাকিব ও ভাই কালাম ধরাছোয়ার বাইরে থাকায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, রাকিব আজমেরী ওসমানের কর্মী হিসেবে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে গেলেও আওয়ামী লীগের পতনের পরপরই ভোল পাল্টে স্থানীয় বিএনপির একটি বলয়ের সাথে মিশে যায়।
পরে বিএনপির ওই বলয়টির নাম ব্যবহার করে পূর্বের ন্যায় এলাকায় কিশোরগ্যাং বাহিনী লালন ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে ওসি মাহবুব আলম বলেন, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।