শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২১:২৭, ২৩ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২১:৩৪, ২৩ আগস্ট ২০২৬
রূপগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবতীকে ভাড়া বাড়িতে ৭ দিনব্যাপী আটকে রেখে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় রবিবার (২৩ আগস্ট) ভূক্তভোগী ঐ যুবতী ৭ জনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে। আগের দিন শনিবার রাতে উপজেলার তারাব পৌরসভার বরপা শান্তিনগর এলাকা থেকে ওই যুবতীকে উদ্ধারসহ এ ঘটনার সাথে জড়িত প্রধান আসামী আলমগীর, রুনা ও পাপী নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ধর্ষণের শিকার ওই যুবতী জানায়, উপজেলার বরপা শান্তিনগর এলাকার মৃত শাহেদ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুরে ওই যুবতীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ১৫ আগস্ট আলমগীর তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে চলে আসতে বললে সে রূপগঞ্জে আলমগীরের কাছে চলে আসে।
আলমগীর ওই যুবতীকে নিয়ে বরপা শান্তিগর এলাকায় একটি রুম ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন। সেখানে আলমগীর তার বন্ধু শাওন, শুভ, মোস্তফা ও জীবনকে নিয়ে মাদক সেবন করে ৭ দিন ধরে ওই যুবতীকে সবাই মিলে ওই ভাড়া বাড়িতে আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতন ও গণধর্ষণ করে আসছিল। যুবতি লোকজনকে বলে দেওয়ার কথা বললে আলমগীর বলে তাদের কিছু হবে না তাদের লিডার সেচ্ছাসেবকদল নেতা তামজিদ ভুইয়া সব দেখবে।
এরই মধ্যে ওই বাড়ির মালিক বিষয়টি টের পায় এবং সে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই যুবতীকে উদ্ধার করে। পুলিশ আসার খবরে আসামীরা পালিয়ে যায়। পরে ওই যুবতী বাদী হয়ে আলমগীর, শাওন, শুভ, মোস্তফা, জীবন, রুনা, পপিকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে সেচ্ছাসেবকদল নেতা তামজিদ ভুইয়া বলেন, আমি সামনে কাউন্সিলর নির্বাচন করবো। এ কারণে আমার প্রতিপক্ষ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
এ ব্যাপারে জেলা ’গ’ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) মেহেদী ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।