শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ১৮:৪২, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আড়াইহাজার থানায় গ্রেপ্তার বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা দাবির পর মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মারধরে তার পা ভেঙে দেওয়ার হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী আরমান হোসেনের অভিযোগ, থানায় খাবার দিতে গেলে দারোগা রুহুল আমিন তার কাছে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না পারায় তাকে মারধর করে বাম পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আরমান হোসেন আড়াইহাজারের গহরদী এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একটি হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে আনোয়ার হোসেনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম চলছিল। ওই মামলায় দেলোয়ারসহ কয়েকজন আসামি রয়েছেন। মামলার একপর্যায়ে উচ্চ আদালত থেকে আসামিদের একজন জামিন পান। পরে দেলোয়ার গ্রেফতার হলে তার স্বজনদের কাছে বিভিন্নভাবে টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের।
পরিবারের দাবি, দেলোয়ার গ্রেপ্তারের পর থেকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দারোগা রুহুল আমিন আসামির স্বজনদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে আসছিলেন। একপর্যায়ে তিন দফায় মোট ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয় বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমীন জানান, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি আরমানকে পূর্ব থেকে দেখিনি আর চিনিও না। কে মারছে বা কারা মারছে তা থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই জানা যাবে। সে আহত হওয়ার পর তাকে আমি দেখেছি। আর তার কাছে টাকা চাওয়ার অভিযোগও মিথ্যা। আমি তার কাছে কোন ভাবেই টাকা চাইনি।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন বলেন, এটা একটা মিথ্যা অভিযোগ। এখানে আরমান নামে যে ছেলেকে মারধরের কথা বলা হয়েছে তাকে মারধর করার কোনো কারণ নেই। রুহুল আমীন এই মামলার কিছু না। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।