শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২২:৩২, ৪ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২২:৩৩, ৪ অক্টোবর ২০২৬
সিদ্ধিরগঞ্জ রেবতী মোহন পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষক শামীম আহমেদের প্রতারণায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন গৃহবধু মোসা. শামসুন্নাহার সুমী। প্রতারণা করে গৃহবধু মোসা. শামসুন্নাহার সুমী কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা। সর্বস্বান্ত গৃহবধু মোসা. শামসুন্নাহার সুমী সিদ্ধিরগঞ্জ পৃর্ব কলাবাগ এর এম. এ সামাদের মেয়ে। এ ঘটনায় প্রতারক শিক্ষক শামীম আহমেদের বিচার চেয়ে আদালতে মামলা করেছেন ওই গৃহবধু ।
ভুক্তভোগী গৃহবধু মোসা. শামসুন্নাহার সুমী জানান, দুই বছর আগে তার মেয়েকে রেবতী মোহন পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ আনা নেওয়ার সময় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পশ্চিম কলাবাগ এলাকার মোস্তাক আহমেদের ছেলে সিদ্ধিরগঞ্জ রেবতী মোহন পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষক লম্পট প্রতারক শামীম আহমেদের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
কিছুদিন মোবাইলে কথা বলার পর তারা সিদ্ধান্ত নেয় বিয়ে করবে।স্থানীয় কাজির মাধ্যমে তারা ২০ লাখ টাকা মোহরা দিয়ে বিয়েও করেন। এরপর সবকিছু ঠিকমতোই চলছিলো। বিয়ের কিছুদিন পর মতিন প্রধানের পরামর্শে প্রতারক শামীম আহমেদে গৃহবধু মোসা: শামসুন্নাহার সুমীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ধান্ধা শুরু করে।
জানা গেছে, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে প্রতারক স্বামী শামীম আহমেদে তাকে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। এ জন্য স্বামীর হাতে তিনি প্রতিনিয়তই মারধরের শিকার হন। কিছু দিন আগে দোকান ক্রয়ের কথা জানিয়ে গৃহবধু মোসা: শামসুন্নাহার সুমীর বাবার বাড়ি থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে স্বামী শামীম আহমেদ।
টাকা দিতে অস্বীকার করায় সুমীর স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে মারধর করে। পরে তার বরাবরে ডিভোর্সের কাগজপত্র পাঠিয়ে দেয়া হয়।
সুমী জানান, নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে একটি মামলা করেছেন।এ মামলায় আদালত শামীম আহমেদ বিরুদ্ধে গ্রেপ্তাারি পরোয়ানা জারি করেছে। এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে শামীম আহমেদ পোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করে নি।