শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২০:১০, ২৪ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক মো. জামাল হত্যা মামলায় এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ২০ হাজার টাকা এবং যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে গালপোড়া রঞ্জু (৪৪) নারায়ণগঞ্জ শহরের আল্লামা ইকবাল রোড এলাকার বাসিন্দা কবির হোসেনের ছেলে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আকাশ আহম্মেদ (৩৭) সিলেটের বিয়ানীবাজার এলাকার শরীফ আহম্মেদের ছেলে।
এদের মধ্যে মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে গালপোড়া রঞ্জু শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমানের সহযোগী হিসেবে পরিচিত।
সোমবার (২৪ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক নাজমুন্নাহার সুমি এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা অনুপস্থিত ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশ পরিদর্শক আব্দুস সামাদ এর সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি মো. আরাফাত খান ওরফে শান্ত এবং ৪ নম্বর আসামি মো. খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদেরকে খালাস দিয়েছেন।
আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আজিজুল হক হান্টু জানান, ২০১১ সালে শহরের প্রেসিডেন্ট রোডে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক জামালকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। অবৈধ অস্ত্র ও মাদক পরিবহনে রাজি না হওয়ায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে মরদেহ বস্তাবন্দি করে পরিত্যক্ত ডাস্টবিনে ফেলে রাখা হয়।
পরে র্যাব-১১-এর সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন এবং আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে গালপোড়া রঞ্জুকে গ্রেফতার করা হয়। আজ রায় ঘোষণা করেন আদালত।
অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি আরও জানান, পরবর্তী সময়ে মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে গালপোড়া রঞ্জু জামিনে ছাড়া পেলে আজমেরী ওসমান কসমেটিক সার্জারি করিয়ে তার মুখমণ্ডলে পরিবর্তন এনেছিলেন। আজমেরী ওসমান তাকে দিয়ে অনেক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করিয়েছেন।