শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২১:০৮, ৯ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২১:১০, ৯ আগস্ট ২০২৬
বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বন্দর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কলাগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাদুল্লাহ মুকুল।
দলীয় মনোনয়ন ও সমর্থন পেলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত শাহাদুল্লাহ মুকুল। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত শাহাদুল্লাহ মুকুল স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ করে থাকেন বলে জানা গেছে। কলাগাছিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও জনসম্পৃক্ত আয়োজনে তার নিয়মিত উপস্থিতি রয়েছে।
এছাড়া অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে বিভিন্ন সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে শাহাদুল্লাহ মুকুলের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এ কারণে চেয়ারম্যান পদে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার আগ্রহের বিষয়ে শাহাদুল্লাহ মুকুল বলেন, “কলাগাছিয়া ইউনিয়নের মানুষের সেবা করার লক্ষ্য নিয়েই আমি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে মিশে তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা পেয়েছি। সুযোগ পেলে কলাগাছিয়া ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “দল যদি আমাকে সমর্থন দেয় এবং ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ যদি আমাকে সমর্থন করে, তাহলে আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। নির্বাচিত হলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাই।”
এদিকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে শাহাদুল্লাহ মুকুলের নাম আলোচনায় আসায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবায় ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করছেন তার সমর্থকরা।