শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ১৫:০৯, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | আপডেট: ১৫:১০, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, “আল্লাহ পাকের দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ও আমার দলের প্রতি।
দল আমাকে মূল্যায়ন করে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছে। দলের দেওয়া গুরু দায়িত্ব আমি ঈমানী দায়িত্ব হিসেবে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পালন করবো।”
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। শহরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসন, হকার ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, জলাবদ্ধতা নিরসন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
পাশাপাশি করপোরেশনের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি ও সেবার ডিজিটালাইজেশনেও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে
অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকও নিয়োগ দেওয়া হয়।
একই প্রজ্ঞাপনে ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, খুলনা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসকও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১)-এর অনুবৃত্তিক্রমে করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান করবেন।
জানা গেছে, সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং নাগরিক সেবা কার্যক্রম গতিশীল করতে তাকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বমহলে সমাদৃত। সাতখুন হত্যা মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে সারাদেশে আলোচনায় আসেন তিনি।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
২০১৮ সালে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সংসদ সদস্য পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছিলেন তিনি। যদিও আসনটি শরিক দলকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও প্রাথমিকভাবে তার নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত অন্য প্রার্থীকে চূড়ান্ত করে দল।
এদিকে প্রশাসক পদে নিয়োগকে সাখাওয়াতের রাজনৈতিক মূল্যায়ন হিসেবে দেখছেন তার অনুসারীরা।
তাদের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক সক্রিয়তার স্বীকৃতিই এ সিদ্ধান্ত।