শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ১৮:১৪, ৩১ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১৮:১৪, ৩১ মার্চ ২০২৬
বন্দরে ১১ বছর বয়সী শিশু আরাফাতকে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার মামলায় মো. রিপন (৩২) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. রিপন বন্দর উপজেলার লাউসার এলাকার মো. ইসলামের ছেলে। নিহত আরাফাত বন্দরের মদনপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিল।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি অনুপস্থিত ছিলো।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল পারিবারিক বিরোধ ও প্রতিশোধের নেশা। ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাতে শিশু আরাফাত হোসেন হত্যার ঘটনায় মো. রিপনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তখন আসামি রিপন আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, একটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় আরাফাতের কলেজ পড়ুয়া বড় ভাই রিপনের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছিল।
এছাড়া রিপন প্রতিবেশী এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলেন, যাতে বাধা দিয়েছিলেন আরাফাতের বাবা। এসব ঘটনার জের ধরে ক্ষুব্ধ হয়ে রিপন শিশু আরাফাতকে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
অ্যাডভোকেট জাকির আরও বলেন, আদালত মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচার কার্যক্রম শেষে এ মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।