শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২২:৩৮, ১৮ মে ২০২৬
জামিয়া মাদানিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি আব্দুর সবুর কাশেমীকে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত দাবিতে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেন। ছাত্রদের আন্দোলনের দাবির মুখে পড়ে কমিটি পূর্বের প্রিন্সিপালকে বহাল রাখার সিদ্ধান্তনেন। সোমবার ( ১৮ মে) সকালে কাশিপুরে জামিয়া মাদানিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মুফতি আব্দুর সবুর কাশেমীকে ফুলেল অভ্যর্থনা দিয়ে প্রিন্সিপাল হিসাবে তাকে গ্রহণ করে নেন।
এর আগে মুফতি আব্দুর সবুর কাশেমী জামিয়া মাদানিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হিসাবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন বলে দাবি করেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
প্রতিষ্ঠানের সূত্রে জানাযায়, বর্তমান যিনি হয়েছে উনার নাম মুফতি আব্দুস সবুর কাসেমী আর যেই মুহতামিম/প্রিন্সিপাল কে পদত্যাগ করানো হয়েছে তার নাম আব্দুর রহমান কাসেমী। এসময় প্রিন্সিপাল মুফতি আব্দুস সবুর কাসেমীকে বরণ করে নিলে সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে তিনি বলেন, আমি নতুন কেউ না, নতুন কিছু না, নতুন ওস্তাদও না। এখান (মাদ্রাসা) কার পুরতান একজন ওস্তাদ এবং দীর্ঘ ১৭ বছরের ওস্তাদ। আমার কাছে শিক্ষকতা খুবি প্রিয় ও পছন্দিও। পূর্বেও দায়িত্ব পাবার আশা ছিলো না এখনো নাই।
আমার কাছে দায়িত্ব পাওয়া খুব বড় কিছু পেলাম বা খুব আনন্দের এমনটা না।
এসময় বিতর্কীত পরিস্থিতি বিষয় নিয়ে তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানে এমন বিতর্কীত পরিস্থিতি কেনো সৃষ্টি হলো সবারি জানা। সহজ বিষয়টা অবমূল্যায়ন বলা হওক বা অদূরদর্শিতা বলা হওক এই বিষয়টা কে এতোটা ঘোলাটে করা হয়েছে। মাদ্রসাটিতে বিগত দুই বছর কারো সাধে ধন্দ হয় না কিন্তু ইদানিং আগের মত দলাদলি মত ঘটনা হচ্ছে। আশা করি আগামিতে এই দলাদলি বন্ধের সকলকে নিয়ে কাজ করতে সেই প্রত্যাশা করি।
এ বিষয় হেফাজতে ইসলামের মহানগরের সেক্রেটারি হারুন বলেন, হুজুর এই প্রতিষ্ঠানটিকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন। হুজুরের কাছ থেকে কৌশলগত ভাবে তার কাছ থেকে নেয়া হয়েছে। দায়িত্ব নেয়ার জন্য নিজ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করতেন না, দায়িত্ব দিলে অনিহা প্রকাশ করার চেষ্টা করতেন। একপর্যায় কমিটি পক্ষ থেকে তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে হুজুর মাদ্রসা স্বার্থে দায়িত্ব নিয়েছে। পদ লোভি কিছু মানুষ হুজুরের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো চেষ্টা করেছে।
আজকে এই বিতর্কীত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে। যারা এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা হুজুরের পক্ষ নিয়ে কমিটির কাছে দাবি জানিয়েছে হুজুরকে পুনর্বহালের জন্য। এখানে যা কিছু হয়েছে কেউ কাউকে শিখেয়ে দেয়া হয় নাই।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মুফতী হারুন অর রশীদ, মুফতী আবদুল হাকিম আদদিয়ায়ী, মুফতি আল আমিন শেখ, মাও আব্দুর রহমান জামি,মাওলানা ইমদাদুল হক, ডা.আবদুল আজিজ, মুফতি হোমায়ন কবির, শায়খুল হাদিস মুক্তি সবুর কাসেমী, মুহাদ্দিস এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, মুফতি ইউসুফ আহমাদ, মুহাদিসস মুফতি আমিমুল ইহসান, মুহাদ্দিস মুফতি সোহাইল মাহমুদ, মুফতি হামিদুর রহমান কাসেমী, মুহাদ্দিস মুফতি ইসহাক আহমদ, মুফতি ওবায়দুল্লাহ নোমানী, মুহাদ্দিস ও নাজেমে কুতুবখানা মুফতি শরীফ উদ্দিন, মুহাদ্দিস মুফতি আব্দুল হান্নান, মুফতি আল আমীন গাজীপুরী, ফরিদুল ইসলাম, মুফতি আল আমীন, মাওঃ দাউদ জামাল, মুফতি নোমান আহমাদ, মাওঃ উসমান গনী মুদাররিস মুফতি শরীফুল ইসলাম, মুফতি আলী নূর, মুফতি ফয়সাল আহমাদ সানিএছাড়া প্রতিষ্ঠানের মুহাদ্দিস নাজেমে কুতুব খানা সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকগ উপস্থিত ছিলেন।