শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২১:৫৬, ১৮ মার্চ ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ থেকে স্বস্তিতে বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছেন ঈদে ঘরমুখি মানুষ। যাত্রীদের স্বার্থে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে নিরাপত্তার চাদর বিছিয়ে দিয়েছে র্যাব-১১। ঢাকা-চিটাগাং হাইওয়েটা হচ্ছে বাংলাদেশের লাইফলাইন। প্রায় ১৪০ কিলোমিটারের হাইওয়ের মতো সড়ক র্যাব এর দায়িত্বের মধ্যে পড়েছে।
যাত্রীরা যাতে কোন সমস্যা ছাড়া তাদের গ্রামের বাড়িতে যেতে পারে। কোন মলম, পার্টি অজ্ঞান পার্টি অথবা ছিনতাইকারী-চাঁদাবাজির সম্মুখীন না হয়। সে লক্ষ্যেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে । টহল কার্যক্রম চলছে এবং ঢাকা-চিটাগাং হাইওয়ে এখন পর্যন্ত কোন যানজটমুক্ত রয়েছে এবং কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেনি।
র্যাব-১১ এর ফোর্স সজাগ দৃষ্টি রাখছে বিভিন্ন পয়েন্টে। গতকালও রাতেও র্যাব বিভিন্ন অভিযান কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এটা চলমান আছে এবং এটা ঈদের ছুটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলমান থাকবে।
র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন, যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদে গ্রামের বাড়ি আত্মীয়স্বজনের কাছে যেতে পারে সে উপলক্ষে আমাদের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আমাদের টহল, বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট করা হয়েছে। এছাড়াও গোয়েন্দা নজরদারিও বৃদ্ধি করা হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) সাইনবোর্ডে এক প্রেস ব্রিফিং এ তিনি এসব কথা বলেন।
পরিবহন সংশ্লিষ্ট ও যাত্রীদের সহযোগিতা কামনা করে লে. কর্নেল এইচএম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, যাত্রীরা যাতে সুন্দরভাবে যেতে পারে সেই হিসেবে আমাদেরকে সহযোগিতা করবেন।
অতিরিক্ত ভাড়া আদায় যেন না করা হয়। যাত্রী সাধারণদেরকেও বলব, আপনারা নিজেরাও সচেষ্ট থাকেন যেন কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা- মলম, অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে না পড়েন। খুবই সুন্দর একটা ঈদ উদযাপিত হবে। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবো। এবং সাধারণ যাত্রীগণ তাদের আত্মীয়স্বজনের কাছে সুন্দরভাবে যেতে পারবে। এই প্রত্যাশা করছি।
ঢাকা-চিটাগাং হাইওয়ে ৮টিম কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, এছাড়াও আমাদের কাঁচপুর, মেঘনা ব্রিজ, মদনপুর, দাউদকান্দি, কুমিল্লা সদরে আমাদের চেকগুলো স্থাপন করা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বাস কাউন্টারগুলোতে যাতে অতিরিক্ত ভাড়া না নিতে পারে সে লক্ষ্যে আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছি। আবাসিক এলাকাগুলো মোবাইল পেট্রোলিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।