শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ১৯:০৭, ১৭ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৯:১৫, ১৭ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু বলেছেন, লুটপাটের সিস্টেম থেকে বেরোতে পারলে সব জায়গায় সমাধান হবে, দেশ পরিবর্তন হয়ে যাবে। দেশের মানুষ সুফল পাবে। একসময় এদেশের মানুষও নিজের অবস্থানটা বুঝতে পারবে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ডিএনডি খাল প্রকল্পের পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি ফতুল্লার ভূঁইঘর এলাকার রূপায়ন টাউনের পেছনে এবং শাহীবাজার এলাকায় ডিএনডির খালের তীর বরাবর ওয়াকওয়ে নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন।
এই প্রকল্প নিয়ে তিনি বলেন, সার্বিক পরিবেশ হিসেবে করলে এতে সন্তুষ্ট না। মানুষের পরিবর্তনেই তো সব কাজ। আমরা জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট এখানে আমরা অর্থায়ন করছি। আর এটার কারণ হলো আমাদের পরিবেশ জলবায়ুর সহনশীল কি কি করা যায়। মানুষকে কই থেকে আমরা সেভ গার্ডে নিতে পারি। তাছাড়া এই ওয়াকওয়েতে মানুষ হাঁটলে মানুষের সেভ গার্ড।
তিনি বলেন, আমাদের কার্বন প্রচুর পরিমাণে নিঃসরণ আছে, এখানে আমরা সেটাকে কন্ট্রোল করতে পারি না। যার কারণে এখানে আমাদের ওয়াকওয়ে করা হয়েছে, এর পাশে গাছ লাগানো হবে। যে গাছগুলো আমাদের কার্বনটাকে কন্ট্রোল করতে পারবে। তাছাড়া এর পাশাপাশি ময়লা পানি যেন না থাকে সেই ক্ষেত্রে আমরা ড্রেন করেছি যেটির পানি সরাসরি খালে চলে যাবে। প্রক্রিয়ায় কিছু ক্রুটি আছে কিন্তু সম্পূর্ণ কাজটির প্রক্রিয়াটা ভালো। আর এটা বাস্তবায়ন হলে আশপাশের মানুষ এটার সুফলভোগ করতে পারবে।
আশেপাশের কারখানাগুলোতে ইটিপির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, সেন্ট্রাল ইটিপি অনেক ব্যয়বহুল হওয়ায় সেটি সম্ভব নয়। ফ্যাক্টরিগুলোতে ইটিপি বসাতে হবে যত দ্রুত সম্ভব পারা যায়। ইটিপি ছাড়া কোন ফ্যাক্টরি চলবেনা। যতক্ষণ ফ্যাক্টরি চলবে, ততক্ষণ ইটিপি চলবে এই সিস্টেমে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিল্পমন্ত্রণালয়কে এই ধরণের নির্দেশনা দিয়েছেন। যেখানে যেসব ত্রুটি রয়েছে তা সমাধান করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশেপাশের মানুষের পরিবেশ ভালো রাখার দায়িত্ব রয়েছে। প্রত্যেকের জায়গা থেকে এগিয়ে এসে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতায় এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে নারায়ণগঞ্জের রূপায়ণ টাউনের পেছনের ভূঁইঘর ক্যানেলপাড়, শাহীবাজার, পিলকুনি পেয়ারাবাগান, লাকীবাজার ওয়াপদা সেতু, ধনকুন্ড-পূর্ব কদমতলী, জালকুড়ি তালতলা, আদমজীনগর পাম্প হাউস এলাকা ও শিমরাইল হীরাঝিলসহ পাঁচটি খালে তীর সংরক্ষণ, প্রায় ৬ হাজার ২০২ মিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।