শিরোনাম:
পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: ২২:১৩, ১৯ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২২:৩৮, ১৯ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জে ব্রাজিল সমর্থকদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা, সমর্থন ও শুভকামনা জানিয়ে আয়োজিত এ র্যালিতে জেলার বিভিন্ন এলাকার শত শত সমর্থক অংশ নেন।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় শহরের চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে র্যালিটি শুরু হয়। ‘ভালোবাসা ও সমর্থনে আমরা একসাথে’ স্লোগানে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা হলুদ-সবুজ রঙে সেজে ব্রাজিলের পতাকা, জার্সি, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
র্যালিতে বাঁশির শব্দ, ঢাকের তালে নাচ-গান এবং সমর্থকদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে চাষাঢ়া এলাকা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো ঘুরে র্যালিটি পথচারীদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
আয়োজকদের ভাষ্য, বিশ্বকাপ উপলক্ষে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের প্রতি শুভকামনা জানানো এবং জেলার ব্রাজিল সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ উপস্থিতি জানান দিতেই এ আয়োজন করা হয়েছে।
তাঁরা বলেন, “ব্রাজিল শুধু একটি ফুটবল দল নয়, এটি আমাদের আবেগের নাম। সেই আবেগ থেকেই আমরা একত্রিত হয়েছি।”
র্যালিতে অংশ নেওয়া সমর্থকেরা বলেন, বিশ্বকাপ কেবল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয় এটি কোটি মানুষের অনুভূতি, স্বপ্ন ও ভালোবাসার প্রতিফলন। সেই আবেগকে উদ্যাপন করতেই তাঁরা এ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।
র্যালিতে শিশু, কিশোর, তরুণ, প্রবীণ এবং নারী সমর্থকদেরও সরব উপস্থিতি ছিল। অনেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অংশ নেন। বিশাল পতাকা কাঁধে নিয়ে এবং প্রিয় দলের জার্সি পরে তাঁদের উচ্ছ্বাস বিশ্বকাপের আগাম আবহ ছড়িয়ে দেয় পুরো এলাকায়।
এদিকে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন দেশের পতাকা টানানো হয়েছে, চলছে প্রিয় দলের জার্সি পরার প্রতিযোগিতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখা যাচ্ছে সমর্থনের নানা প্রকাশ।
ফুটবলপ্রেমীদের মতে, খেলার মাঠ পৃথিবীর অন্য প্রান্তে হলেও বিশ্বকাপের আবেগ বাংলাদেশের প্রতিটি জনপদকে স্পর্শ করে। নারায়ণগঞ্জে ব্রাজিল সমর্থকদের এ র্যালি সেই আবেগেরই এক রঙিন প্রকাশ।
র্যালির অন্যতম উদ্যোক্তা নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক আহমেদুর রহমান তনু বলেন, “খেলাধুলা সমাজে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে। ব্রাজিল সমর্থকদের এই আয়োজন নারায়ণগঞ্জের ক্রীড়াপ্রেমী মানসিকতার প্রতিফলন।”
তিনি আরও বলেন, “যুবসমাজকে ইতিবাচক কাজে যুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন সামাজিক সম্প্রীতিকে আরও দৃঢ় করবে।”